Home / শীর্ষ খবর / সাভারের সিআরপিতে পালিত হলো “ইন্টারন্যাশনাল পাইনাল কর্ড ডে”

সাভারের সিআরপিতে পালিত হলো “ইন্টারন্যাশনাল পাইনাল কর্ড ডে”

সাভার প্রতিনিধি :

সাভারে পালিত হলো “ইন্টারন্যাশনাল পাইনাল কর্ড ডে” (আর্ন্তজাতিক মেরুদন্ডে আঘাতপ্রাপ্ত দিবস) পক্ষাঘাতগ্রস্তদের পুনর্বাসন কেন্দ্র (সিআরপি)‘তে

মঙ্গলবার(৫ সেপ্টেম্বর) সকালে “আমরাও পারি” এই স্লোগানের সাথে  সাভারে সিআরপি থেকে  একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালীর মাধ্যমে ইন্টারন্যাশনাল পাইনাল কর্ড ইঞ্জুরি ডে’র সূচনা করা হয়।

সিআরপি এর প্রতিষ্ঠাতা  ড. ভেলরি এ টেইলর পাইনাল কর্ড ইঞ্জুরি আক্রান্ত ব্যক্তিদের চিকিৎসা সেবার ব্রত নিয়ে ১৯৭৯ সালে মেরুরজ্জুতে আঘাতপ্রাপ্ত চার জন রোগী নিয়ে পক্ষাঘাতগ্রস্তদের পুনর্বাসন কেন্দ্র সিআরপি এর যাত্রা শুরু করেন। সিআরপি বাংলাদেশের অন্যতম প্রতিষ্ঠান যারা মেরুদন্ডে আঘাতপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের সর্ম্পূন চিকিৎসা ও পুনর্বাসন সেবা প্রদান করে আসছে। এছাড়াও সমগ্র দক্ষিন এশিয়ায় মেরুদন্ডে আঘাতপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের সর্বোচ্চ সেবা প্রদানকারী সংস্থাও সিআরপি।

পৃথিবীতে প্রায় ২৫ লক্ষ মানুষ মেরুরজ্জুতে আঘাত জনিত কারনে পক্ষাঘাতগ্রস্থ হয়ে জীবনযাপন করছেন। অধিকাংশ সময় অসর্তকতা, অজ্ঞতা এবং ভুল সিদ্ধান্তের জন্য ব্যক্তি মেরুরজ্জুতে আঘাতপ্রাপ্ত হয়। বাংলাদেশে বেশিরভাগ মানুষ (প্রায় ৪০ শতাংশ) উচু স্থান যেমন- গাছ, বিদ্যুতের খুঁটি, নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে, মেরুরজ্জুতে আঘাতপ্রাপ্ত হয়।

এছাড়াও ভারী বোঝা বহনের সময় পড়ে গিয়ে (১৬ শতাংশ), সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়ে (১৪ শতাংশ), ভারী বস্তু মাথায় পড়ে (৯ শতাংশ), বিভিন্ন রোগ-ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে (১৩.০৯ শতাংশ), অল্প পানিতে লাফ দিয়ে (২.৬০ শতাংশ), ইজি বাইকে ওড়না পেচিয়ে এবং অন্যান্য কারনে (৪.২০ শতাংশ) মানুষ মেরুরজ্জুতে আঘাতপ্রাপ্ত হয়।

তাই সমাজে মেরুরজ্জুর আঘাত প্রতিরোধ ও পুনর্বাসনে সর্বোচ্চ ফলাফল অর্জনের জন্য সরকার, সরকারি প্রতিষ্ঠান, কর্পোরেট সেক্টর, গণমাধ্যম, এনজিও, হাসপাতাল, স্কুল-কলেজ এবং সর্বোপরি সর্বসাধারনের অংশ গ্রহণের বিকল্প নেই।

অনুষ্ঠানটির পরিচালনা করেন সিআরপ নির্বাহী পরিচালক মোঃ সফিকুল ইসলাম। উক্ত অনুষ্ঠানে সমমনা প্রতিষ্ঠান সিডাব, এডিডি, হ্যান্ডিক্যাপ ইন্টারন্যাশনাল, জিআইজেড, সিবিএম এর মত আরও কিছু প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করে।



আপনার মতামত লিখুন

আপনার ‘ই-মেইল’ ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না, কিন্তু স্টার চিহিৃত ঘরগুলো পূরণ করতেই হবেতেই হবে *

*