Home / আইন ও আদালত / এসএসসি পাস করা নাজিমুদ্দিন পেশায় ডাক্তার

এসএসসি পাস করা নাজিমুদ্দিন পেশায় ডাক্তার

বাংলাদেশে কোরোনা

মোট

৪৭,১৫৩

জন
নতুন

২৫৪৫

জন
মৃত

৬৫০

জন
সুস্থ

৯,৭৮১

জন

গণরায় নিউজ ডেস্কঃ

মানিকগঞ্জের এসএসসি পাস করা নাজিমুদ্দিন নামের আগে ডাক্তার পদবি লাগিয়ে প্রতারণা করছেন ২৫ বছর ধরে। তবে এই প্রতারণা ধরা পড়েছে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি করার সূত্র ধরে। শনিবার (১৬ মে) মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা ভাটবাউর গ্রামে এই ঘটনা ঘটেছে। এই সময় অভিযুক্ত নাজিমুদ্দিনকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযোগকারী স্থানীয় কাঠমিস্ত্রি মোস্তাফিজুর রহমান জানান, তিনি তার তিন বছরের ছেলে অসুস্থ হওয়ায় ভাটবাউর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে (ময়না ফার্মেসিতে) যান। সেখানের চিকিৎসক ডা. নাজিমুদ্দিন কয়েকটি ওষুধ দেন তাকে। বাড়ি এসে তার স্ত্রী ছেলেকে ওষুধ খাওয়ানোর সময় দেখেন ওই ডাক্তারের ফার্মেসির সব ওষুধই মেয়াদোত্তীর্ণ।

পরে তিনি শুক্রবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে মোবাইলে অভিযোগ করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরে। অভিযোগের সূত্র ধরে জেলা প্রশাসক এসএম ফেরদৌসের নির্দেশে শনিবার সকালে ভাটবাউর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে অভিযান চালানো হয়। অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের সহকারি পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল।

এ সময় দেখা যায় ওষুধের দোকানের অধিকাংশ ওষুধই মেয়াদোত্তীর্ণ। পরে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রাখার অপরাধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৫১ ধারা অনুযায়ি ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় নাজিমুদ্দিনকে। সেই সঙ্গে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ২৭ এর (২) ধারা অনুসারে ময়না ফার্মেসি সাময়িক বন্ধ করে দেওয়া হয়।

আসাদুজ্জামান রুমেল জানান, বিএমডিসির সনদ ছাড়া কেউ ডাক্তার লেখতে পারবেন না। এই ধরনের সরকারি আইন থাকলেও তা উপেক্ষা করে এসএসসি পাস করা নাজিমুদ্দিন বলে যায় ডাক্তার। ডাক্তার পদবি ব্যবহার করে সে দাঁপিয়ে বেড়াচ্ছিলো ২৫ বছর ধরে।

তিনি আরও জানান, অভিযানের সময় দেখা যায় ফার্মেসির প্রায় অধিকাংশ ওষুধের মেয়াদ শেষ হয়েছে ২০১৯ সালের পূর্বেই। ডিসপ্লেতে ২০১৮, ২০১৭, ২০১৬, ২০১২, ২০১০ ও ২০০৭ সালের বিপুল সংখ্যক মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ পাওয়া গেছে।

আপনার মতামত লিখুন

আপনার ‘ই-মেইল’ ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না, কিন্তু স্টার চিহিৃত ঘরগুলো পূরণ করতেই হবেতেই হবে *

*