Home / স্বাস্থ্য / ছেলেকে কিডনি দিয়ে বাঁচাতে চায় মা, এখন বাঁধা শুধু অর্থ

ছেলেকে কিডনি দিয়ে বাঁচাতে চায় মা, এখন বাঁধা শুধু অর্থ

মেহেদী হাসান উজ্জল,ফুলবাড়ী,দিনাজপুর প্রতিনিধি:

১০ মাস গর্ভে ধারন করে জন্ম দেবার পর শত কষ্টে যে ছেলেকে তিলে তিলে মানুষ করেছে মা সেই একমাত্র ছেলের আজ দুটি কিডনি নষ্ট। জিবন মরনে সন্ধিক্ষনে দাড়িয়ে আছে ছেলে। এরই মধ্যে ছেলেকে বাঁচাতে শেষ করে ফেলেছে তাদের এস্থাবর অস্থাবর।

বর্তমানে এই গরীব অসহায় পরিবারে সাধ্যের বাহিরে জুলফিকারকে উন্নত চিকিৎসা দিয়ে এই মরন ব্যাধি থেকে বাঁচিয়ে তোলা। সর্বশেষ মায়ের মমতা বসে থাকেনি,শেষ চেষ্টা হিসেবে ছেলেকে বাঁচাতে তাঁর নিজের কিডনি দিতে প্রস্তুত মা। কিন্তু কিডনি প্রতিস্থাপনের দরকার ৭ লক্ষ টাকা যা সর্বশেষ চেষ্টার পথে বাঁধা। তাই বিত্ত্ববানের সহযোগীতার মূখ চেয়ে মা।

গার্মেন্টেসে শ্রমিক সাহেদার রহমানের এক ছেলে ও এক মেয়ে, স্ত্রী নুর বানু বেগমকে নিয়ে বসবাস করেন ফুলবাড়ী উপজেলার কাজিহাল ইউনিয়নের আমড়া গ্রামে। কিডনি রোগে আক্রান্ত তার একমাত্র ছেলে জুলফিকার উপজেলার মুরারীপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেনীর ছাত্র। জিবন শুরুর আগেই মরন ব্যাধি কিডনি রোগে আক্রান্ত হয়ে তার দুটো কিডনি নষ্ট হয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকগন।

ছেলেকে পৃথিবীতে বাঁচিয়ে রাখতে জুলফিকরের দরিদ্র পিতা সাহেদার রহমান তার নিজের শেষ সম্বল বাড়ীর ভিটা-মাটিটুকু বিক্রি করে চিকিৎসা করেছে। চিকিৎসকেরা বলেছেন জুলফিকারের একটি কিডনি প্রতিস্থাপন করলে তাকে বাঁচানো সম্ভব হবে। ছেলেকে বাঁচিয়ে রাখতে নিজের কিডনি দিতে প্রস্তুত জুলফিকারের মা নুর বানু বেগম।

কিন্তু সেই কিডনি প্রতিস্থাপন করতে এখন অনেক টাকার প্রয়োজন। সেই টাকা কিভাবে যোগাড় হবে তা নিয়ে এখন জুলফিকারের দরিদ্র পিতা সাহেদার রহমান দুশ্চিন্তা পড়েছে। টাকা যোগাড় না করতে পারলেই চিরতরে হারাতে হবে তাদের একমাত্র বুকেরধন জুলফিকারকে।

এই জন্য জুলফিকারের পিতা-মাতা সমাজের বৃত্তবানদের নিকট, ছেলেকে বাঁচাতে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছেন। সমাজের বিত্তবানদের সাহায্যে বেঁচে যেতে পারে ১০ শ্রেনীর মেধাবী ছাত্র কিশোর জুলফিকারের জিবন।



আপনার মতামত লিখুন

আপনার ‘ই-মেইল’ ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না, কিন্তু স্টার চিহিৃত ঘরগুলো পূরণ করতেই হবেতেই হবে *

*